হিজরি ক্যালেন্ডার

আজ · ২৩ রবিউস সানি ১৪৪৮

হিজরি ক্যালেন্ডার

জিলহজ ১৪৩০ ১৯ নভেম্বর – ১৮ ডিসেম্বর ২০০৯
শনি
রবি
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহঃ
শুক্র
১ ১৯
২ ২০
৩ ২১
৪ ২২
৫ ২৩
৬ ২৪
৭ ২৫
৮ ২৬
৯ ২৭
১০ ২৮
১১ ২৯
১২ ৩০
১৩ ১
১৪ ২
১৫ ৩
১৬ ৪
১৭ ৫
১৮ ৬
১৯ ৭
২০ ৮
২১ ৯
২২ ১০
২৩ ১১
২৪ ১২
২৫ ১৩
২৬ ১৪
২৭ ১৫
২৮ ১৬
২৯ ১৭
৩০ ১৮
চলতি মাসে ফিরুন

তারিখগুলো বাংলাদেশের জন্য সমন্বয় করা উম্মুল কুরা ক্যালেন্ডার অনুযায়ী; চাঁদ দেখার উপর নির্ভর করে এক দিন কম-বেশি হতে পারে।

জিলহজ মাসে

১জিলহজ জিলহজের প্রথম দশকবৃহস্পতিবার, ১৯ নভেম্বর ২০০৯

আল্লাহ তাআলা ‘দশ রাতের’ কসম করেছেন (সুরা ফাজর ৮৯:২), অনেক মুফাসসিরের মতে এর দ্বারা এই দিনগুলোকেই বোঝানো হয়েছে। রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, এই দশ দিনের নেক আমলের চেয়ে অন্য কোনো দিনের আমল আল্লাহর কাছে বেশি প্রিয় নয় (সহিহ বুখারি ৯৬৯)।

করণীয় আমল

  • জিকির বাড়িয়ে দিন: লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, আল্লাহু আকবার ও আলহামদুলিল্লাহ
  • নফল রোজা রাখুন, বিশেষ করে আরাফার দিনে
  • দান-সদকা ও বাড়তি নেক আমল করুন
  • কোরবানির নিয়ত থাকলে চুল ও নখ কাটা থেকে বিরত থাকুন (সহিহ মুসলিম ১৯৭৭)
৮জিলহজ হজের সূচনা (ইয়াওমুত তারবিয়া)বৃহস্পতিবার, ২৬ নভেম্বর ২০০৯

জিলহজের ৮ তারিখে ইহরাম পরিহিত হাজিরা মিনার উদ্দেশে রওনা হন। এর মাধ্যমে হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়, যা আরাফা, মুজদালিফা, জামারাতে কংকর নিক্ষেপ, কোরবানি ও তাওয়াফের মধ্য দিয়ে ১২ বা ১৩ তারিখ পর্যন্ত চলে। সামর্থ্যবান প্রত্যেক মুসলমানের ওপর জীবনে একবার হজ ফরজ (সুরা আলে ইমরান ৩:৯৭)।

করণীয় আমল

  • হাজিদের নিরাপত্তা ও হজ কবুলের জন্য দোয়া করুন
  • নিজের হজের তাওফিক চেয়ে আল্লাহর কাছে দোয়া করুন
  • হজ ও উমরাহর নিয়মকানুন শিখুন
৯জিলহজ আরাফার দিনশুক্রবার, ২৭ নভেম্বর ২০০৯

হজের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিন, যেদিন হাজিরা আরাফার ময়দানে অবস্থান করেন। রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, ‘আরাফাই হজ’ (জামে তিরমিজি ৮৮৯)। যারা হজে নেই, তাদের জন্য এই দিনের রোজা আগের এক বছর ও পরের এক বছরের গুনাহের কাফফারা হয় (সহিহ মুসলিম ১১৬২)।

করণীয় আমল

  • হজে না থাকলে রোজা রাখুন
  • বেশি বেশি দোয়া করুন; সর্বোত্তম দোয়া আরাফার দিনের দোয়া (জামে তিরমিজি ৩৫৮৫)
  • আজ ফজর থেকে প্রতি ফরজ নামাজের পর তাকবিরে তাশরিক পড়া শুরু করুন
১০জিলহজ ঈদুল আজহাশনিবার, ২৮ নভেম্বর ২০০৯

ত্যাগের উৎসব, যা ইবরাহিম (আ.) ও তাঁর পুত্রের আত্মসমর্পণের স্মৃতি বহন করে (সুরা সাফফাত ৩৭:১০২–১০৭)। সামর্থ্যবানরা জিলহজের ১০ থেকে ১২ তারিখের মধ্যে পশু কোরবানি করেন এবং এর গোশত পরিবার, আত্মীয়স্বজন ও অভাবী মানুষের মধ্যে বণ্টন করেন (সুরা হজ ২২:৩৬)।

করণীয় আমল

  • ঈদের নামাজে অংশ নিন; নামাজের পর খাওয়া উত্তম (জামে তিরমিজি ৫৪২)
  • সামর্থ্য থাকলে কোরবানি করুন
  • গোশত গরিব, আত্মীয় ও প্রতিবেশীদের মধ্যে বণ্টন করুন
  • কোরবানির পর রাস্তা ও আশপাশ পরিষ্কার রাখুন
১১জিলহজ আইয়ামে তাশরিকরবিবার, ২৯ নভেম্বর ২০০৯

ঈদুল আজহার পরের তিন দিন (১১–১৩ জিলহজ) আইয়ামে তাশরিক। রাসুলুল্লাহ ﷺ এই দিনগুলোকে পানাহার ও আল্লাহর জিকিরের দিন বলেছেন (সহিহ মুসলিম ১১৪১); এসব দিনে রোজা রাখা নিষিদ্ধ। এ সময় হাজিরা মিনায় জামারাতে কংকর নিক্ষেপ করেন।

করণীয় আমল

  • ১৩ তারিখ আসর পর্যন্ত প্রতি ফরজ নামাজের পর তাকবিরে তাশরিক পড়ুন
  • বেশি বেশি আল্লাহর জিকির করুন (সুরা বাকারা ২:২০৩)
  • কোরবানির গোশত বণ্টন ও আত্মীয়দের সঙ্গে দেখা-সাক্ষাৎ অব্যাহত রাখুন

সামনে যা আসছে

১১ ডিসেম্বর
রজব মাসের সূচনা ১ রজব · ৬৭ দিন পর
৬ জানুয়ারি
শবে মেরাজ (ইসরা ও মেরাজ) ২৭ রজব · ৯৩ দিন পর
১০ জানুয়ারি
শাবান মাসের সূচনা ১ শাবান · ৯৭ দিন পর
২৪ জানুয়ারি
শবে বরাত (মধ্য শাবানের রাত) ১৫ শাবান · ১১১ দিন পর
ছুটি
৯ ফেব্রুয়ারি
রমজান মাসের সূচনা ১ রমজান · ১২৭ দিন পর
২৫ ফেব্রুয়ারি
বদর যুদ্ধ দিবস ১৭ রমজান · ১৪৩ দিন পর
২৮ ফেব্রুয়ারি
মক্কা বিজয় দিবস ২০ রমজান · ১৪৬ দিন পর
৭ মার্চ
শবে কদর (লাইলাতুল কদর) ২৭ রমজান · ১৫৩ দিন পর
ছুটি