হিজরি ক্যালেন্ডার

আজ · ৮ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

হিজরি ক্যালেন্ডার

রমজান ১৪০৪ ২ জুন – ৩০ জুন ১৯৮৪
শনি
রবি
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহঃ
শুক্র
১ ২
২ ৩
৩ ৪
৪ ৫
৫ ৬
৬ ৭
৭ ৮
৮ ৯
৯ ১০
১০ ১১
১১ ১২
১২ ১৩
১৩ ১৪
১৪ ১৫
১৫ ১৬
১৬ ১৭
১৭ ১৮
১৮ ১৯
১৯ ২০
২০ ২১
২১ ২২
২২ ২৩
২৩ ২৪
২৪ ২৫
২৫ ২৬
২৬ ২৭
২৭ ২৮
২৮ ২৯
২৯ ৩০
চলতি মাসে ফিরুন

তারিখগুলো বাংলাদেশের জন্য সমন্বয় করা উম্মুল কুরা ক্যালেন্ডার অনুযায়ী; চাঁদ দেখার উপর নির্ভর করে এক দিন কম-বেশি হতে পারে।

রমজান মাসে

১রমজান রমজান মাসের সূচনাশনিবার, ২ জুন ১৯৮৪

রমজান সেই মাস, যে মাসে কুরআন নাজিল হয়েছে এবং রোজা ফরজ করা হয়েছে (সুরা বাকারা ২:১৮৩–১৮৫)। রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, যে ব্যক্তি ঈমানের সঙ্গে ও সওয়াবের আশায় রমজানের রোজা রাখে, তার আগের গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হয় (সহিহ বুখারি ৩৮)। চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে মাসটি ২৯ বা ৩০ দিনের হয়।

করণীয় আমল

  • প্রতিদিন সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত রোজা রাখুন
  • সেহরি খান, কারণ এতে বরকত রয়েছে (সহিহ বুখারি ১৯২৩)
  • তারাবিহ পড়ুন ও বেশি বেশি কুরআন তিলাওয়াত করুন
  • উদার হাতে দান-সদকা করুন
১৭রমজান বদর যুদ্ধ দিবসসোমবার, ১৮ জুন ১৯৮৪

হিজরি দ্বিতীয় বর্ষের ১৭ রমজান প্রায় ৩১৩ জনের ছোট্ট মুসলিম বাহিনী বদর প্রান্তরে কুরাইশদের বিশাল বাহিনীর মুখোমুখি হয় এবং আল্লাহ তাআলা তাদের বিজয় দান করেন। কুরআন এই দিনকে ‘ইয়াওমুল ফুরকান’ বা সত্য-মিথ্যার পার্থক্যের দিন বলেছে (৮:৪১) এবং স্মরণ করিয়ে দিয়েছে যে মুমিনরা সংখ্যায় কম ও দুর্বল থাকা অবস্থায় আল্লাহ বদরে তাদের সাহায্য করেছিলেন (৩:১২৩)।

করণীয় আমল

  • সিরাত থেকে বদর যুদ্ধের ঘটনা পড়ুন
  • আল্লাহর ওপর ভরসা (তাওয়াক্কুল) নিয়ে চিন্তা করুন
  • মুসলিম উম্মাহর জন্য দোয়া করুন
২০রমজান মক্কা বিজয় দিবসবৃহস্পতিবার, ২১ জুন ১৯৮৪

হিজরি অষ্টম বর্ষের রমজানে রাসুলুল্লাহ ﷺ প্রায় দশ হাজার সাহাবিকে সঙ্গে নিয়ে প্রায় রক্তপাতহীনভাবে মক্কায় প্রবেশ করেন। তিনি ‘সত্য এসেছে, মিথ্যা বিলুপ্ত হয়েছে’ (সুরা বনি ইসরাইল ১৭:৮১; সহিহ বুখারি ৪২৮৭) তিলাওয়াত করতে করতে কাবাকে মূর্তিমুক্ত করেন এবং দীর্ঘদিন বিরোধিতাকারী মক্কাবাসীকে ক্ষমা করে দেন।

করণীয় আমল

  • রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর দয়া ও ক্ষমাশীলতা নিয়ে চিন্তা করুন
  • সুরা নাসর (১১০) তিলাওয়াত করুন ও ইস্তিগফার করুন
  • আপনার প্রতি অন্যায় করেছে এমন কাউকে ক্ষমা করে দিন
২৭রমজান শবে কদর (লাইলাতুল কদর)বৃহস্পতিবার, ২৮ জুন ১৯৮৪

লাইলাতুল কদর হাজার মাসের চেয়ে উত্তম (সুরা কদর ৯৭:৩)। যে ব্যক্তি ঈমানের সঙ্গে ও সওয়াবের আশায় এই রাতে ইবাদত করে, তার আগের গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হয় (সহিহ বুখারি ১৯০১)। রাসুলুল্লাহ ﷺ রমজানের শেষ দশকের বেজোড় রাতগুলোতে একে তালাশ করতে বলেছেন (সহিহ বুখারি ২০১৭)। ২৭তম রাত ব্যাপকভাবে পালিত হলেও শেষ দশকের সব রাতেই একে খোঁজা উচিত।

করণীয় আমল

  • ২১, ২৩, ২৫, ২৭ ও ২৯ — সব বেজোড় রাতে তালাশ করুন
  • নামাজ, কুরআন তিলাওয়াত ও আন্তরিক দোয়ায় রাত কাটান
  • পড়ুন: আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউন তুহিব্বুল আফওয়া ফা’ফু আন্নি (জামে তিরমিজি ৩৫১৩)
  • সম্ভব হলে শেষ দশকে ইতিকাফ করুন

সামনে যা আসছে

১১ ডিসেম্বর
রজব মাসের সূচনা ১ রজব · ৫২ দিন পর
৬ জানুয়ারি
শবে মেরাজ (ইসরা ও মেরাজ) ২৭ রজব · ৭৮ দিন পর
১০ জানুয়ারি
শাবান মাসের সূচনা ১ শাবান · ৮২ দিন পর
২৪ জানুয়ারি
শবে বরাত (মধ্য শাবানের রাত) ১৫ শাবান · ৯৬ দিন পর
ছুটি
৯ ফেব্রুয়ারি
রমজান মাসের সূচনা ১ রমজান · ১১২ দিন পর
২৫ ফেব্রুয়ারি
বদর যুদ্ধ দিবস ১৭ রমজান · ১২৮ দিন পর
২৮ ফেব্রুয়ারি
মক্কা বিজয় দিবস ২০ রমজান · ১৩১ দিন পর
৭ মার্চ
শবে কদর (লাইলাতুল কদর) ২৭ রমজান · ১৩৮ দিন পর
ছুটি