সন্ধ্যার যিকির
সন্ধ্যার যিকির আসরের পর সন্ধ্যায় পড়ার যিকির—রাতভর হেফাজতের জন্য।

/ ১১ সম্পন্ন

১ / ১১ আয়াতুল কুরসি

اللَّهُ لَا إِلَٰهَ إِلَّا هُوَ الْحَيُّ الْقَيُّومُ ۚ لَا تَأْخُذُهُ سِنَةٌ وَلَا نَوْمٌ ۚ لَهُ مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَمَا فِي الْأَرْضِ ۗ مَنْ ذَا الَّذِي يَشْفَعُ عِنْدَهُ إِلَّا بِإِذْنِهِ ۚ يَعْلَمُ مَا بَيْنَ أَيْدِيهِمْ وَمَا خَلْفَهُمْ ۖ وَلَا يُحِيطُونَ بِشَيْءٍ مِنْ عِلْمِهِ إِلَّا بِمَا شَاءَ ۚ وَسِعَ كُرْسِيُّهُ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ ۖ وَلَا يَئُودُهُ حِفْظُهُمَا ۚ وَهُوَ الْعَلِيُّ الْعَظِيمُ

আল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হুওয়াল হাইয়্যুল ক্বাইয়্যূম। লা তা'খুযুহূ সিনাতুঁও ওয়ালা নাউম। লাহূ মা ফিস সামাওয়াতি ওয়ামা ফিল আরদ্ব। মান যাল্লাযী ইয়াশফা'উ 'ইনদাহূ ইল্লা বিইযনিহ। ইয়া'লামু মা বাইনা আইদীহিম ওয়ামা খালফাহুম। ওয়ালা ইউহীতূনা বিশাইইম মিন 'ইলমিহী ইল্লা বিমা শা-আ। ওয়াসি'আ কুরসিইয়ুহুস সামাওয়াতি ওয়াল আরদ্ব। ওয়ালা ইয়াঊদুহূ হিফযুহুমা। ওয়া হুওয়াল 'আলিইয়্যুল 'আযীম।

আল্লাহ, তিনি ছাড়া কোনো ইলাহ নেই; তিনি চিরঞ্জীব, সবকিছুর ধারক। তন্দ্রা ও নিদ্রা তাঁকে স্পর্শ করে না। আসমান ও জমিনে যা কিছু আছে সবই তাঁর। কে আছে যে তাঁর অনুমতি ছাড়া তাঁর কাছে সুপারিশ করবে? তাদের সামনে ও পেছনে যা কিছু আছে তিনি সব জানেন। তিনি যতটুকু চান, তা ছাড়া তাঁর জ্ঞানের কিছুই তারা আয়ত্ত করতে পারে না। তাঁর কুরসি আসমান ও জমিন পরিব্যাপ্ত, আর এ দুটির রক্ষণাবেক্ষণ তাঁকে ক্লান্ত করে না। তিনি সুউচ্চ, মহান।

কুরআনের সবচেয়ে মহান আয়াত (সহীহ মুসলিম ৮১০)।

Al-Baqarah 2:255

২ / ১১ সূরা ইখলাস, ফালাক্ব ও নাস

بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ ۝ قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ ۝ اللَّهُ الصَّمَدُ ۝ لَمْ يَلِدْ وَلَمْ يُولَدْ ۝ وَلَمْ يَكُنْ لَهُ كُفُوًا أَحَدٌ بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ ۝ قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ الْفَلَقِ ۝ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ ۝ وَمِنْ شَرِّ غَاسِقٍ إِذَا وَقَبَ ۝ وَمِنْ شَرِّ النَّفَّاثَاتِ فِي الْعُقَدِ ۝ وَمِنْ شَرِّ حَاسِدٍ إِذَا حَسَدَ بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ ۝ قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ النَّاسِ ۝ مَلِكِ النَّاسِ ۝ إِلَٰهِ النَّاسِ ۝ مِنْ شَرِّ الْوَسْوَاسِ الْخَنَّاسِ ۝ الَّذِي يُوَسْوِسُ فِي صُدُورِ النَّاسِ ۝ مِنَ الْجِنَّةِ وَالنَّاسِ

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম। ক্বুল হুওয়াল্লাহু আহাদ। আল্লাহুস সামাদ। লাম ইয়ালিদ ওয়ালাম ইউলাদ। ওয়ালাম ইয়াকুল্লাহূ কুফুওয়ান আহাদ। বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম। ক্বুল আ'ঊযু বিরাব্বিল ফালাক্ব। মিন শাররি মা খালাক্ব। ওয়ামিন শাররি গাসিক্বিন ইযা ওয়াক্বাব। ওয়ামিন শাররিন নাফফাসাতি ফিল 'উক্বাদ। ওয়ামিন শাররি হাসিদিন ইযা হাসাদ। বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম। ক্বুল আ'ঊযু বিরাব্বিন নাস। মালিকিন নাস। ইলাহিন নাস। মিন শাররিল ওয়াসওয়াসিল খান্নাস। আল্লাযী ইউওয়াসউইসু ফী সুদূরিন নাস। মিনাল জিন্নাতি ওয়ান নাস।

বলুন, তিনি আল্লাহ, এক-অদ্বিতীয়। আল্লাহ অমুখাপেক্ষী, সবাই তাঁর মুখাপেক্ষী। তিনি কাউকে জন্ম দেননি এবং তাঁকেও জন্ম দেওয়া হয়নি। আর তাঁর সমতুল্য কেউ নেই। বলুন, আমি আশ্রয় চাই ঊষার রবের কাছে—তিনি যা সৃষ্টি করেছেন তার অনিষ্ট থেকে, অন্ধকার রাতের অনিষ্ট থেকে যখন তা ছেয়ে যায়, গিরায় ফুঁ দানকারিণীদের অনিষ্ট থেকে এবং হিংসুকের অনিষ্ট থেকে যখন সে হিংসা করে। বলুন, আমি আশ্রয় চাই মানুষের রবের কাছে, মানুষের অধিপতির কাছে, মানুষের ইলাহের কাছে—আত্মগোপনকারী কুমন্ত্রণাদাতার অনিষ্ট থেকে, যে মানুষের অন্তরে কুমন্ত্রণা দেয়, জিন ও মানুষের মধ্য থেকে।

সকাল-সন্ধ্যায় তিনবার করে পড়লে সবকিছু থেকে হেফাজতের জন্য যথেষ্ট হবে।

Surah Al-Ikhlas, Al-Falaq & An-Nas (112–114); Sunan Abu Dawud 5082

৩ / ১১ সাইয়্যিদুল ইস্তিগফার

اللَّهُمَّ أَنْتَ رَبِّي لَا إِلَٰهَ إِلَّا أَنْتَ، خَلَقْتَنِي وَأَنَا عَبْدُكَ، وَأَنَا عَلَىٰ عَهْدِكَ وَوَعْدِكَ مَا اسْتَطَعْتُ، أَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا صَنَعْتُ، أَبُوءُ لَكَ بِنِعْمَتِكَ عَلَيَّ، وَأَبُوءُ لَكَ بِذَنْبِي، فَاغْفِرْ لِي، فَإِنَّهُ لَا يَغْفِرُ الذُّنُوبَ إِلَّا أَنْتَ

আল্লাহুম্মা আনতা রাব্বী, লা ইলাহা ইল্লা আনতা, খালাক্বতানী ওয়া আনা 'আবদুকা, ওয়া আনা 'আলা 'আহদিকা ওয়া ওয়া'দিকা মাসতাত্বা'তু, আ'ঊযু বিকা মিন শাররি মা সানা'তু, আবূউ লাকা বিনি'মাতিকা 'আলাইয়া, ওয়া আবূউ লাকা বিযাম্বী, ফাগফিরলী, ফাইন্নাহূ লা ইয়াগফিরুয যুনূবা ইল্লা আনতা।

হে আল্লাহ, আপনি আমার রব, আপনি ছাড়া কোনো ইলাহ নেই। আপনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন, আর আমি আপনার বান্দা। আমি সাধ্যমতো আপনার অঙ্গীকার ও প্রতিশ্রুতির ওপর আছি। আমি যা করেছি তার অনিষ্ট থেকে আপনার আশ্রয় চাই। আমার প্রতি আপনার নিয়ামত আমি স্বীকার করি, আর আমার গুনাহও স্বীকার করি। অতএব আমাকে ক্ষমা করে দিন, কেননা আপনি ছাড়া কেউ গুনাহ ক্ষমা করতে পারে না।

যে ব্যক্তি দৃঢ় বিশ্বাসের সাথে রাতে এটি পড়ে এবং সকালের আগেই মারা যায়, সে জান্নাতবাসী হবে।

Sahih al-Bukhari 6306

৪ / ১১ আমরা সন্ধ্যায় উপনীত হয়েছি, রাজত্ব আল্লাহর

أَمْسَيْنَا وَأَمْسَى الْمُلْكُ لِلَّهِ، وَالْحَمْدُ لِلَّهِ، لَا إِلَٰهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَىٰ كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ، رَبِّ أَسْأَلُكَ خَيْرَ مَا فِي هَٰذِهِ اللَّيْلَةِ وَخَيْرَ مَا بَعْدَهَا، وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا فِي هَٰذِهِ اللَّيْلَةِ وَشَرِّ مَا بَعْدَهَا، رَبِّ أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْكَسَلِ وَسُوءِ الْكِبَرِ، رَبِّ أَعُوذُ بِكَ مِنْ عَذَابٍ فِي النَّارِ وَعَذَابٍ فِي الْقَبْرِ

আমসাইনা ওয়া আমসাল মুলকু লিল্লাহ, ওয়াল হামদু লিল্লাহ, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহূ লা শারীকা লাহ, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু ওয়া হুওয়া 'আলা কুল্লি শাইয়িন ক্বাদীর। রাব্বি আসআলুকা খাইরা মা ফী হাযিহিল লাইলাতি ওয়া খাইরা মা বা'দাহা, ওয়া আ'ঊযু বিকা মিন শাররি মা ফী হাযিহিল লাইলাতি ওয়া শাররি মা বা'দাহা। রাব্বি আ'ঊযু বিকা মিনাল কাসালি ওয়া সূইল কিবার। রাব্বি আ'ঊযু বিকা মিন 'আযাবিন ফিন নারি ওয়া 'আযাবিন ফিল ক্বাবর।

আমরা সন্ধ্যায় উপনীত হয়েছি, আর সমস্ত রাজত্বও আল্লাহর জন্য সন্ধ্যায় উপনীত হয়েছে। সকল প্রশংসা আল্লাহর। আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ নেই, তিনি এক, তাঁর কোনো শরিক নেই। রাজত্ব তাঁরই, প্রশংসাও তাঁরই, এবং তিনি সবকিছুর ওপর ক্ষমতাবান। হে আমার রব, আমি আপনার কাছে এই রাতের কল্যাণ ও এর পরের কল্যাণ চাই, আর এই রাতের অনিষ্ট ও এর পরের অনিষ্ট থেকে আপনার আশ্রয় চাই। হে আমার রব, আমি অলসতা ও বার্ধক্যের কষ্ট থেকে আপনার আশ্রয় চাই। হে আমার রব, আমি জাহান্নামের আজাব ও কবরের আজাব থেকে আপনার আশ্রয় চাই।

Sahih Muslim 2723

৫ / ১১ হে আল্লাহ, আপনার অনুগ্রহে আমাদের সন্ধ্যা

اللَّهُمَّ بِكَ أَمْسَيْنَا، وَبِكَ أَصْبَحْنَا، وَبِكَ نَحْيَا، وَبِكَ نَمُوتُ، وَإِلَيْكَ الْمَصِيرُ

আল্লাহুম্মা বিকা আমসাইনা, ওয়া বিকা আসবাহনা, ওয়া বিকা নাহইয়া, ওয়া বিকা নামূতু, ওয়া ইলাইকাল মাসীর।

হে আল্লাহ, আপনার অনুগ্রহেই আমরা সন্ধ্যায় উপনীত হই এবং আপনার অনুগ্রহেই সকালে উপনীত হই; আপনার ইচ্ছাতেই আমরা বাঁচি ও মৃত্যুবরণ করি, আর আপনার কাছেই শেষ প্রত্যাবর্তন।

Al-Adab al-Mufrad 1199

৬ / ১১ সুস্থতা ও চারদিক থেকে হেফাজতের দোয়া

اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْعَافِيَةَ فِي الدُّنْيَا وَالْآخِرَةِ، اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْعَفْوَ وَالْعَافِيَةَ فِي دِينِي وَدُنْيَايَ وَأَهْلِي وَمَالِي، اللَّهُمَّ اسْتُرْ عَوْرَاتِي، وَآمِنْ رَوْعَاتِي، اللَّهُمَّ احْفَظْنِي مِنْ بَيْنِ يَدَيَّ، وَمِنْ خَلْفِي، وَعَنْ يَمِينِي، وَعَنْ شِمَالِي، وَمِنْ فَوْقِي، وَأَعُوذُ بِعَظَمَتِكَ أَنْ أُغْتَالَ مِنْ تَحْتِي

আল্লাহুম্মা ইন্নী আসআলুকাল 'আফিয়াতা ফিদ দুনইয়া ওয়াল আখিরাহ। আল্লাহুম্মা ইন্নী আসআলুকাল 'আফওয়া ওয়াল 'আফিয়াতা ফী দীনী ওয়া দুনইয়াইয়া ওয়া আহলী ওয়া মালী। আল্লাহুম্মাসতুর 'আওরাতী, ওয়া আমিন রাও'আতী। আল্লাহুম্মাহফাযনী মিন বাইনি ইয়াদাইয়া, ওয়া মিন খালফী, ওয়া 'আন ইয়ামীনী, ওয়া 'আন শিমালী, ওয়া মিন ফাওক্বী, ওয়া আ'ঊযু বি'আযামাতিকা আন উগতালা মিন তাহতী।

হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে দুনিয়া ও আখিরাতে নিরাপত্তা ও সুস্থতা চাই। হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে ক্ষমা চাই এবং আমার দ্বীন, দুনিয়া, পরিবার ও সম্পদে নিরাপত্তা চাই। হে আল্লাহ, আমার দোষত্রুটি ঢেকে রাখুন এবং আমার ভয়-শঙ্কা দূর করে নিরাপত্তা দিন। হে আল্লাহ, আমাকে হেফাজত করুন আমার সামনে থেকে, পেছন থেকে, ডান দিক থেকে, বাম দিক থেকে এবং ওপর থেকে। আর নিচ থেকে আকস্মিক ধ্বংস হওয়া থেকে আমি আপনার মহত্ত্বের আশ্রয় চাই।

নবী ﷺ সকাল-সন্ধ্যায় এই দোয়াগুলো কখনো ছাড়তেন না।

Sunan Abu Dawud 5074

৭ / ১১ আল্লাহর নামে, যাঁর নামের সাথে কিছুই ক্ষতি করতে পারে না

بِسْمِ اللَّهِ الَّذِي لَا يَضُرُّ مَعَ اسْمِهِ شَيْءٌ فِي الْأَرْضِ وَلَا فِي السَّمَاءِ وَهُوَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ

বিসমিল্লাহিল্লাযী লা ইয়াদ্বুররু মা'আসমিহী শাইউন ফিল আরদ্বি ওয়ালা ফিস সামা-ই, ওয়া হুওয়াস সামী'উল 'আলীম।

আল্লাহর নামে, যাঁর নামের সাথে আসমান ও জমিনের কোনো কিছুই ক্ষতি করতে পারে না; আর তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।

সন্ধ্যায় তিনবার পড়লে সকাল পর্যন্ত কোনো আকস্মিক বিপদ তাকে আক্রান্ত করবে না।

Sunan Abu Dawud 5088; Jami' at-Tirmidhi 3388

৮ / ১১ আল্লাহকে রব হিসেবে পেয়ে আমি সন্তুষ্ট

رَضِيتُ بِاللَّهِ رَبًّا، وَبِالْإِسْلَامِ دِينًا، وَبِمُحَمَّدٍ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَبِيًّا

রাদ্বীতু বিল্লাহি রাব্বা, ওয়া বিল ইসলামি দীনা, ওয়া বিমুহাম্মাদিন সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লামা নাবিইয়া।

আমি সন্তুষ্ট আল্লাহকে রব হিসেবে, ইসলামকে দ্বীন হিসেবে এবং মুহাম্মাদ ﷺ-কে নবী হিসেবে পেয়ে।

যে সকাল-সন্ধ্যায় এটি পড়ে, তাকে সন্তুষ্ট করা আল্লাহ নিজের দায়িত্ব করে নেন।

Sunan Abu Dawud 5072

৯ / ১১ আল্লাহই আমার জন্য যথেষ্ট

حَسْبِيَ اللَّهُ لَا إِلَٰهَ إِلَّا هُوَ، عَلَيْهِ تَوَكَّلْتُ، وَهُوَ رَبُّ الْعَرْشِ الْعَظِيمِ

হাসবিয়াল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হুওয়া, 'আলাইহি তাওয়াক্কালতু, ওয়া হুওয়া রাব্বুল 'আরশিল 'আযীম।

আল্লাহই আমার জন্য যথেষ্ট, তিনি ছাড়া কোনো ইলাহ নেই। আমি তাঁরই ওপর ভরসা করি, আর তিনি মহান আরশের রব।

যে সকাল-সন্ধ্যায় সাতবার এটি পড়ে, তার সব দুশ্চিন্তার বিষয়ে আল্লাহ তার জন্য যথেষ্ট হয়ে যান।

Sunan Abu Dawud 5081; At-Tawbah 9:129

১০ / ১১ আল্লাহর পরিপূর্ণ বাণীর আশ্রয় প্রার্থনা

أَعُوذُ بِكَلِمَاتِ اللَّهِ التَّامَّاتِ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ

আ'ঊযু বিকালিমাতিল্লাহিত তাম্মাতি মিন শাররি মা খালাক্ব।

আমি আল্লাহর পরিপূর্ণ বাণীসমূহের আশ্রয় চাই, তিনি যা সৃষ্টি করেছেন তার অনিষ্ট থেকে।

সন্ধ্যায় এটি পড়লে সে রাতে বিষাক্ত প্রাণীর দংশন তার ক্ষতি করতে পারবে না।

Sahih Muslim 2709; Jami' at-Tirmidhi

১১ / ১১ সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহী

سُبْحَانَ اللَّهِ وَبِحَمْدِهِ

সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহী।

আল্লাহ পবিত্র, এবং সকল প্রশংসা তাঁরই।

কিয়ামতের দিন কেউ এর চেয়ে উত্তম আমল নিয়ে আসতে পারবে না, তবে যে এর সমান বা এর চেয়ে বেশি পড়েছে সে ছাড়া।

Sahih Muslim 2692