আরবি পাঠ
حَدَّثَنَا عَبْدَانُ، عَنْ أَبِي حَمْزَةَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ مُسْلِمٍ، عَنْ مَسْرُوقٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ مَضَى خَمْسٌ الدُّخَانُ وَالرُّومُ وَالْقَمَرُ وَالْبَطْشَةُ وَاللِّزَامُ.
بابٌ :(أَفَنَضْرِبُ عَنْكُمْ الذِّكْرَ صَفْحًا أَنْ كُنْتُمْ قَوْمًا مُّسْرِفِيْنَ) ৬৫/৪৩/২. অধ্যায়: আল্লাহর বাণীঃ আমি কি তোমাদের থেকে নাসীহাতপূর্ণ কুরআন এজন্য প্রত্যাহার করে নেব যে, তোমরা সীমালঙ্ঘনকারী লোক? (সূরাহ যুখরুফ ৪৩/৫) مُشْرِكِيْنَ وَاللهِ لَوْ أَنَّ هَذَا الْقُرْآنَ رُفِعَ حَيْثُ رَدَّهُ أَوَائِلُ هَذِهِ الْأُمَّةِ لَهَلَكُوْا (فَأَهْلَكْنَآ أَشَدَّ مِنْهُمْ بَطْشًا وَّمَضَى مَثَلُ الْأَوَّلِيْنَ) عُقُوْبَةُ الْأَوَّلِيْنَ (جُزْءًا) عِدْلًا. উপরোক্ত আয়াতে উল্লিখিত مُسْرِفِيْنَ এর অর্থ مُشْرِكِيْنَ অর্থাৎ আমি কি তোমাদের হতে এই নাসীহাত বাণী সম্পূর্ণরূপে প্রত্যাহার করে নেব এই কারণে যে, তোমরা মুশরিক? আল্লাহর কসম! এ উম্মাতের প্রথম অবস্থায় যখন (কুরাইশগণ) আল-কুরআনকে প্রত্যাখ্যান করেছিল; তখন যদি তাকে প্রত্যাহার করা হত, তাহলে তাঁরা সকলেই ধ্বংস হয়ে যেত। فَأَهْلَكْنَآ أَشَدَّ مِنْهُمْ بَطْشًا وَّمَضٰى مَثَلُ الْأَوَّلِيْنَ এর মাঝে বর্ণিত مَثَلُ الْأَوَّلِيْنَএর অর্থ তাদের মধ্যে যারা তাদের অপেক্ষা শক্তিতে প্রবল ছিল, তাদের আমি ধ্বংস করেছিলাম। আর এভাবেই চলে এসেছে পূর্ববর্তী লোকদের শাস্তির দৃষ্টান্ত। جُزْءًا সমকক্ষ। (আ.প্র. ৪৪৫৫, ই.ফা. ৪৪৫৭) (44) سُوْرَةُ حم الدُّخَانِ সূরাহ (৪৪) : হামীম আদ্-দুখান وَقَالَ مُجَاهِدٌ (رَهْوًا) طَرِيْقًا يَابِسًا وَيُقَالُ رَهْوًا سَاكِنًا عَلَى عِلْمٍ(عَلَى الْعَالَمِيْنَ) عَلَى مَنْ بَيْنَ ظَهْرَيْهِ. (فَاعْتُلُوْهُ) ادْفَعُوْهُ (وَزَوَّجْنَاهُمْ بِحُوْرٍ عِيْنٍ) أَنْكَحْنَاهُمْ حُوْرًا عِيْنًا يَحَارُ فِيْهَا الطَّرْفُ (تَرْجُمُوْنِ) الْقَتْلُ وَ (رَهْوَا) : سَاكِنًا. وَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ (كَالْمُهْلِ) أَسْوَدُ كَمُهْلِ الزَّيْتِ وَقَالَ غَيْرُهُ (تُبَّعُ) مُلُوْكُ الْيَمَنِ كُلُّ وَاحِدٍ مِنْهُمْ يُسَمَّى تُبَّعًا لِأَنَّهُ يَتْبَعُ صَاحِبَهُ وَالظِّلُّ يُسَمَّى تُبَّعًا لِأَنَّهُ يَتْبَعُ الشَّمْسَ. মুজাহিদ (রহ.) বলেন, رَهْوًا শুষ্ক পথ। عَلَى الْعَالَمِيْنَ সমকালীন লোকদের উপর। فَاعْتُلُوْهُ নিক্ষেপ কর তাকে।وَزَوَّجْنَاهُمْ بِحُوْرٍ عِيْنٍ আমি তাদের ডাগর চক্ষু বিশিষ্ট হুরদের সঙ্গে বিয়ে দেব, যাদেরকে দেখলে চোখ ধাঁধিয়ে যায়। تَرْجُمُوْنِ হত্যা করা। رَهْوَا স্থির। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, كَالْمُهْلِ যায়তুনের গাদের মত কাল। অন্যরা বলেছেন, تُبَّعُ ইয়ামানের বাদশাদের উপাধি। তাদের একজনের পর যেহেতু অপরজনের আগমন ঘটত, এজন্য তাদের প্রত্যেক বাদশাহকেই تُبَّعُ বলা হত। ছায়াকেও تُبَّعُ বলা হয়। কেননা, ছায়া সূর্যের অনুসরণ করে। قَالَ قَتَادَةُ فَارْتَقِبْ فَانْتَظِرْ. ক্বাতাদাহ (রহ.) বলেন, فَارْتَقِبْ অপেক্ষা কর। ৪৮২০. ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, পাঁচটি নিদর্শনই বাস্তবায়িত হয়ে গেছে। ধোঁয়া (দুর্ভিক্ষ), রোম (পরাজয়), চন্দ্র (দ্বিখন্ডিত হওয়া), পাকড়াও (বাদর যুদ্ধে) এবং ধ্বংস। [১০০৭] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৪৫৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
English
Narrated `Abdullah:Five things have passed, i.e. the smoke, the defeat of the Romans, the splitting of the moon, Al-Batsha (the defeat of the infidels in the battle of Badr) and Al-Lizam (the punishment)