সহিহ বুখারী ৭১৬২

Judgments (Ahkaam)

আরবি পাঠ

حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، قَالَ سَمِعْتُ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ لَمَّا أَرَادَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم أَنْ يَكْتُبَ إِلَى الرُّومِ قَالُوا إِنَّهُمْ لاَ يَقْرَءُونَ كِتَابًا إِلاَّ مَخْتُومًا‏.‏ فَاتَّخَذَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم خَاتَمًا مِنْ فِضَّةٍ، كَأَنِّي أَنْظُرُ إِلَى وَبِيصِهِ، وَنَقْشُهُ مُحَمَّدٌ رَسُولُ اللَّهِ‏.‏

وَقَالَ بَعْضُ النَّاسِ كِتَابُ الْحَاكِمِ جَائِزٌ إِلاَّ فِي الْحُدُودِ ثُمَّ قَالَ إِنْ كَانَ الْقَتْلُ خَطَأً فَهُوَ جَائِزٌ لِأَنَّ هَذَا مَالٌ بِزَعْمِهِ وَإِنَّمَا صَارَ مَالاً بَعْدَ أَنْ ثَبَتَ الْقَتْلُ فَالْخَطَأُ وَالْعَمْدُ وَاحِدٌ وَقَدْ كَتَبَ عُمَرُ إِلَى عَامِلِهِ فِي الْجَارُودِ وَكَتَبَ عُمَرُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ فِي سِنٍّ كُسِرَتْ. وَقَالَ إِبْرَاهِيمُ كِتَابُ الْقَاضِي إِلَى الْقَاضِي جَائِزٌ إِذَا عَرَفَ الْكِتَابَ وَالْخَاتَمَ وَكَانَ الشَّعْبِيُّ يُجِيزُ الْكِتَابَ الْمَخْتُومَ بِمَا فِيهِ مِنْ الْقَاضِي وَيُرْوَى عَنْ ابْنِ عُمَرَ نَحْوُهُ. وَقَالَ مُعَاوِيَةُ بْنُ عَبْدِ الْكَرِيمِ الثَّقَفِيُّ شَهِدْتُ عَبْدَ الْمَلِكِ بْنَ يَعْلَى قَاضِيَ الْبَصْرَةِ وَإِيَاسَ بْنَ مُعَاوِيَةَ وَالْحَسَنَ وَثُمَامَةَ بْنَ عَبْدِ اللهِ بْنِ أَنَسٍ وَبِلاَلَ بْنَ أَبِي بُرْدَةَ وَعَبْدَ اللهِ بْنَ بُرَيْدَةَ الأَسْلَمِيَّ وَعَامِرَ بْنَ عَبِيدَةَ وَعَبَّادَ بْنَ مَنْصُورٍ يُجِيزُونَ كُتُبَ الْقُضَاةِ بِغَيْرِ مَحْضَرٍ مِنْ الشُّهُودِ فَإِنْ قَالَ الَّذِي جِيءَ عَلَيْهِ بِالْكِتَابِ إِنَّهُ زُورٌ قِيلَ لَهُ اذْهَبْ فَالْتَمِسْ الْمَخْرَجَ مِنْ ذَلِكَ وَأَوَّلُ مَنْ سَأَلَ عَلَى كِتَابِ الْقَاضِي الْبَيِّنَةَ ابْنُ أَبِي لَيْلَى وَسَوَّارُ بْنُ عَبْدِ اللهِ. وَقَالَ لَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللهِ بْنُ مُحْرِزٍ جِئْتُ بِكِتَابٍ مِنْ مُوسَى بْنِ أَنَسٍ قَاضِي الْبَصْرَةِ وَأَقَمْتُ عِنْدَهُ الْبَيِّنَةَ أَنَّ لِي عِنْدَ فُلاَنٍ كَذَا وَكَذَا وَهُوَ بِالْكُوفَةِ وَجِئْتُ بِهِ الْقَاسِمَ بْنَ عَبْدِ الرَّحْمَنِ فَأَجَازَهُ وَكَرِهَ الْحَسَنُ وَأَبُو قِلاَبَةَ أَنْ يَشْهَدَ عَلَى وَصِيَّةٍ حَتَّى يَعْلَمَ مَا فِيهَا لِأَنَّهُ لاَ يَدْرِي لَعَلَّ فِيهَا جَوْرًا وَقَدْ كَتَبَ النَّبِيُّصَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِلَى أَهْلِ خَيْبَرَ إِمَّا أَنْ تَدُوا صَاحِبَكُمْ وَإِمَّا أَنْ تُؤْذِنُوا بِحَرْبٍ وَقَالَ الزُّهْرِيُّ فِي الشَّهَادَةِ عَلَى الْمَرْأَةِ مِنْ وَرَاءِ السِّتْرِ إِنْ عَرَفْتَهَا فَاشْهَدْ وَإِلاَّ فَلاَ تَشْهَدْ. কোন কোন লোক বলেছেন, ‘হদ’ (শারী‘আতের নির্ধারিত শাস্তি) ব্যতীত অন্যান্য ব্যাপারে রাষ্ট্র পরিচালককে চিঠি দেয়া বৈধ। এরপর তিনি বলেছেন, হত্যা যদি ভুলবশত হয় তাহলে রাষ্ট্র পরিচালকের চিঠি বৈধ। কেননা, তাঁর মতে এটি মাল সংক্রান্ত বিষয়। অথচ এটি মাল সংক্রান্ত বিষয় বলে ঐ সময় প্রতীয়মান হবে, যখন হত্যা প্রমাণিত হবে। ভুলবশত হত্যা ও ইচ্ছাকৃত হত্যা একই। ‘উমার (রাঃ) তাঁর কর্মকর্তার নিকট জারুদের উত্থাপিত অভিযোগের ভিত্তিতে চিঠি লিখেছিলেন। ‘উমার উবনু আবুদল আযীয (রহ.) ভেঙ্গে যাওয়া দাঁতের ব্যাপারে চিঠি লিখেছিলেন। ইব্রাহীম (রহ.) বলেন, লেখা ও মোহর যদি চিনতে পারেন, তাহলে বিচারপতির কাছে অন্য বিচারপতির চিঠি লেখা বৈধ। শাবী বিচারপতির পক্ষ থেকে মোহরকৃত চিঠি বৈধ মনে করতেন। ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকেও তদ্রূপ বর্ণিত। মু‘আবিয়াহ ইবনু ‘আবদুল কারীম সাকাফী বলেন, আমি বসরার বিচারপতি ‘আবদুল মালিক ইবনু ইয়া‘লা, ইয়াস ইবনু মু‘আবিয়াহ, হাসান, সুমায়াহ্ ইবনু ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু আনাস, বিলাল ইবনু আবূ বুরদা, ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু বুরায়দা আসলামী, আমের ইবনু আবীদা ও ‘আব্বাস ইবনু মানসূরকে দেখেছি, তাঁরা সকলেই সাক্ষীদের অনুপস্থিতিতে বিচারপতিদের চিঠি বৈধ মনে করতেন। চিঠিতে যার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হত সে যদি একে মিথ্যা বা জাল বলে দাবি করত, তাহলে তাকে বলা হত যাও, এ অভিযোগ থেকে মুক্তির পথ খোঁজ কর। সর্বপ্রথম যারা বিচারপতির চিঠির ব্যাপারে প্রমাণ দাবি করেছেন তারা হলেন, ইবনু আবূ লায়লা এবং সাওয়ার ইবনু ‘আবদুল্লাহ্। আবূ নু‘আয়ম (রহ.) আমাদের বলেছেন, ‘উবাইদুল্লাহ্ ইবনু মুহরেয আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন যে, ‘‘আমি বস্রার বিচারপতি মূসা ইবনু আনাসের নিকট হতে চিঠি নিয়ে আসলাম। সেখানে আমি তাঁর নিকট এ ব্যাপারে প্রমাণ পেশ করলাম যে, অমুকের নিকট আমার এত এত পাওনা আছে, আর সে কূফায় অবস্থান করেছে। এ চিঠি নিয়ে আমি কাসেম ইবনু ‘আবদুর রহমানের কাছে আসলাম, তিনি তা কার্যকর করলেন। হাসান ও আবূ কেলাবা অসিয়্যতনামায় কী লেখা আছে তা না জেনে তার সাক্ষী হওয়াকে মাক্রূহ মনে করতেন। কেননা, সে জানে না, হয়তো এতে কারো প্রতি অবিচার করা হয়েছে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খায়বারবাসীদের প্রতি চিঠি লিখেছিলেন যে, হয়তো তোমরা তোমাদের সাথীর ‘দিয়ত’ (রক্তপণ) আদায় কর, না হয় যুদ্ধের ঘোষণা গ্রহণ কর। পর্দার অন্তরাল থেকে মহিলাদের ব্যাপারে সাক্ষ্য দেয়া সম্পর্কে ইমাম যুহরী বলেন, যদি তুমি তাকে চিনতে পার তাহলে তার ব্যাপারে সাক্ষ্য দেবে, তা না হলে সাক্ষ্য দেবে না। ৭১৬২. আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন রোমের সম্রাটের নিকট চিঠি লিখতে চাইলেন, তখন লোকেরা বলল, মোহরকৃত চিঠি না হলে তারা তা পড়ে না। তাই নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি রৌপ্যের আংটি তৈরি করলেন। [আনাস (রহ.) বলেন] আমি এখনও যেন এর উজ্জ্বলতা লক্ষ্য করছি। তাতে مُحَمَّدٌ رَسُولُ اللهِ ‘‘মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ’’ অংকিত ছিল। [৬৫] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬৬৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)

English

Narrated Anas bin Malik:When the Prophet (ﷺ) intended to write to the Byzantines, the people said, "They do not read a letter unless it is sealed (stamped)." Therefore the Prophet (ﷺ) took a silver ring----as if I am looking at its glitter now----and its engraving was: 'Muhammad, Apostle of Allah

সূত্র: hadith-api by Fawaz Ahmed (github.com/fawazahmed0/hadith-api)